কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে ছিলেন সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের সহোদরা। গত রবিবার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) চিরবিদায় নেন আশা। তাঁর এই প্রয়াণের পর ভক্তরা খুঁজে পেয়েছেন কিছু অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য মিল। দেখা গেছে, দুই বোনের জীবনের শেষ অধ্যায় এবং মৃত্যুর পটভূমি যেন এক অবিশ্বাস্য সুতায় গাঁথা।
লতা ও আশার বিদায়ের অদ্ভুত কিছু মিল:
- একই বয়স: ২০২২ সালে লতা মঙ্গেশকর ৯২ বছর বয়সে মারা যান। ২০২৬ সালে আশা ভোঁসলেও ৯২ বছর বয়সেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেন।
- একই হাসপাতাল: দুই কিংবদন্তি বোনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন মুম্বাইয়ের একই হাসপাতাল ‘ব্রিচ ক্যান্ডি’-তে।
- একই দিন: কাকতালীয়ভাবে দুই বোনেরই বিদায়ের দিনটি ছিল সপ্তাহের একই দিন—রবিবার।
- একই শারীরিক কারণ: চিকিৎসা বিজ্ঞানের নথিতেও মিল রয়েছে। দুজনেই বার্ধক্যজনিত সমস্যার পাশাপাশি ‘মাল্টি অর্গান ফেলিওর’ বা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে মারা যান।
দীর্ঘ সংগীত জীবনে লতা ও আশার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই নিয়ে সংগীতাঙ্গনে অসংখ্য মুখরোচক গল্প প্রচলিত ছিল। বহুবার তাঁদের মনোমালিন্য এবং একে অপরের সঙ্গে কথা বন্ধ রাখার খবরও শিরোনাম হয়েছে। তবে সময়ের আবর্তে সেই তিক্ততা অনেক আগেই ফিকে হয়ে গিয়েছিল। জীবনের অন্তিমলগ্নে এসে বয়স, স্থান ও শারীরিক কারণের এই হুবহু মিল যেন প্রমাণ করে দিল—দিনশেষে তাঁরা একে অপরের অচ্ছেদ্য ছায়াসঙ্গীই ছিলেন।
এই দুই নক্ষত্রের বিদায়ে বিশ্ব সংগীতাঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা অপূরণীয়। তবে তাঁদের কণ্ঠস্বর চিরকাল বেঁচে থাকবে অগণিত ভক্তের হৃদয়ে।
সুত্রঃ ঢাকা পোস্ট